অমিত সাহা
দুর্নীতি করে চাকরিরে ঢুকেছিলেন। যুক্ত ছিলেন শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে। ছিল দাপটও। তবে সব ক্ষমতা এক লহমায় মাটিতে মিশিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার তৃণমূল শিক্ষাসেলের রাজ্য সম্পাদক শেখ সিরাজুল ইসলামের চাকরি বরখাস্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ।
বুধবার এই মামলায় বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, 'হাওড়া স্কুলের শিক্ষক নেতা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছেন। কোনওভাবেই চাকরিতে রাখা যায় না। এ দিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকরী বলে স্পষ্ট করে দেন বিচারপতি।সম্প্রতি হাওড়া জেলায় তৃণমূলের মাধ্যমিক শিক্ষাসেলের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে সিরাজুলকে। ২০১১ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁর চাকরি গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সে সময়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ছিল। কিন্তু তারপরও তিনি চাকরি করে গিয়েছেন। এবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে।
![]() |
File Photo |
এই ঘটনায় প্রধানশিক্ষকদের সংগঠনের নেতা চন্দন কুমার মাইতি প্রতিক্রিয়ায় জানান, কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি রাজশেখর মান্থা তৃণমূল শিক্ষাসেলের রাজ্য সম্পাদককে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। অত্যন্ত দাম্ভিক, অত্যাচারী, ভীতি প্রদর্শনকারী, তোলাবাজ ওই শিক্ষকের চাকুরিজীবনের প্রাপ্ত সকল অর্থ ফেরত সহ মহামান্য আদালতের রায়কে বিকৃত করার জন্য আজীবন কারাদন্ডের নির্দেশের আশায় আছি।
0 Comments